জ্যাক মা এর বিখ্যাত কিছু বাণী ও উক্তি
জ্যাক মা এর বিখ্যাত কিছু বাণী ও উক্তি সমূহ
বিশ্বের অন্যতম সফল একজন ব্যবসায়ী ও আলিবাবা গ্রূপের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে জ্যাক মা এর খ্যাতি বিশ্বব্যাপী। বর্তমান সময়ে তার মোট সম্পত্তির পরিমান প্রায় ৫০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি বিশ্বে ১৭ তম এবং চীনের সবথেকে ধনী ব্যক্তি। তবে শুরু থেকেই তার এই যাত্রাপথ এতটা সুমধুর ছিলোনা। আজ আমরা জানবো তার এই বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে একজন সফল ব্যবসায়ী ও সর্বোপরি একজন সফল মানুষ হয়ে ওঠার কাহিনী।
“জ্যাক মা ইউন” এর জন্ম হয় ১৯৬৪ সালের ১৫ই অক্টোবর, চীনের ঝি-জিয়াং প্রদেশের হ্যাং-চাও শহরে, এক দরিদ্র পরিবারে। ছোটবেলায় তাঁর প্রথম প্যাশন ছিলো ইংরেজী ভাষা।
৯ বছর ধরে তিনি ৭০ মাইল পথ সাইকেল চালিয়ে পর্যটকদের এলাকা ঘুরিয়ে দেখাতেন, শুধুমাত্র ইংরেজী শেখার জন্য। সেখানকার এক পর্যটক বন্ধু মা ইউনকে ‘জ্যাক মা’ নাম দেন। গরিব ঘরে জন্ম নিলেও তার স্বপ্নটা ছিল আকাশের মত বড়। কর্মজীবনে বহু ব্যর্থতা , ব্যবসাতে আসা বিভিন্ন প্রতিকূলতা – কোনোকিছুই তাকে তার লক্ষ্যে পৌঁছনো থেকে আটকাতে পারেনি। গরিব পরিবারে জন্ম নেয়া জ্যাক মা’র শিক্ষা গ্রহণই ছিল তাঁর সামনে এগুনোর একমাত্র উপায়।৩০টি প্রতিষ্ঠানে চাকরির আবেদন করে তিনি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন।কিন্তু তিনি কখনই হার মানেন নি।
তাই আজ আমরা দেখবো জ্যাক মা -র বিখ্যাত কিছু বাণী ও উক্তি সমূহ , যেগুলি আমাদের জীবনে চলার পথে দিশা দেখাতে সাহায্য করবে।
জ্যাক মা-র অনুপ্রেরণামূলক বিখ্যাত কিছু উক্তি :
১. “যতক্ষণ না তুমি হাল ছেড়ে দিচ্ছ, ততক্ষন তোমার কাছে সুযোগ আছে। হাল ছেড়ে দেওয়াই হলো সবথেকে বড়ো বিফলতা। “– জ্যাক মা
২. “যদি তুমি কখনো চেষ্টাই না করো তাহলে বুঝবে কিভাবে যে সুযোগ ছিলো কিনা?”
৩. “সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা তোমার থাকা প্রয়োজন তা হলো ধৈর্য। “
৪. “কখনো হাল ছেড়োনা, আজ কঠিন কাল হয়তো আরও কঠিন হবে কিন্তু তারপর সাফল্য নিশ্চই আসবে।”
৫. “যদি ৯ টি খরগোশ থাকে আর তুমি একটিকে ধরতে চাও, তবে নির্দিষ্ট একটির ওপর লক্ষ স্থির করো। “
৬. “যদি আমরা একটা ভালো দল হই আর জানি যে আমরা কি করতে চাই, তাহলে আমাদের একজন বিপক্ষের ১০ জনকে হারিয়ে দিতে পারবে। “
৭. “প্রতিপক্ষের থেকে শিক্ষা নাও কিন্তু কখনোই অনুকরণ করোনা। অনুকরণ করা মানেই মৃত্যু। “
৮. “যদি তুমি চেষ্টাই না করো, তাহলে সফলতা কখনোই আসবে না। “
৯. “ক্ষুধার্ত থাকো আর নিজের স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাও। “
১০. “বিফলতাই সাফল্যের চাবিকাঠি।”

0 Comments